চাকরি নেই, ভবিষ্যৎ নেই:

ভারতের বেকারত্ব ও কর্মসংস্থান সংকট

-মধুমঙ্গল সিনহা

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

৮৩% বেকার যুবক, ৪৪% স্নাতক কর্মহীন — পরিসংখ্যান যা বলছে, সরকার যা এড়িয়ে যাচ্ছে

 

সারসংক্ষেপ

বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতি ভারত প্রতি বছর ৭%-এর বেশি হারে জিডিপি বৃদ্ধি করছে। কিন্তু এই চমকপ্রদ সংখ্যার আড়ালে লুকিয়ে আছে এক বিপর্যয়কর বাস্তবতা — কোটি কোটি শিক্ষিত যুবক চাকরি পাচ্ছেন না। CMIE-র তথ্য অনুযায়ী ২০২৪ সালের জুনে বেকারত্বের হার ৯.২%-এ পৌঁছেছিল। ILO-র প্রতিবেদন বলছে মোট বেকারদের ৮২.৯% যুবক, এবং তাদের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশ মাধ্যমিক বা তার ঊর্ধ্বে শিক্ষিত। ২০-২৪ বছর বয়সী স্নাতকদের মধ্যে বেকারত্বের হার ৪৪.৫%। এই প্রতিবেদন সেই সংকটের তথ্যভিত্তিক বিশ্লেষণ।

 

১. পরিসংখ্যান: দুটি ভিন্ন বাস্তবতা

ভারতের বেকারত্বের সংখ্যা নিয়ে একটি মৌলিক বিভ্রান্তি বিদ্যমান। সরকারি পর্যায়ে Periodic Labour Force Survey (PLFS) এবং বেসরকারি পর্যায়ে Centre for Monitoring Indian Economy (CMIE) — এই দুটি সূত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র তুলে ধরে।

 

তথ্যসূত্র

পদ্ধতি

সর্বশেষ হার (২০২৪-২৫)

মন্তব্য

PLFS (MoSPI)

বার্ষিক সাধারণ স্থিতি

৩.২% (২০২৩-২৪)

বছরে একবারও কাজ করলে 'নিযুক্ত'

CMIE

সাপ্তাহিক চলতি স্থিতি

৭.২–৯.২% (২০২৪)

বর্তমানে কাজ না থাকলে বেকার

বিশ্বব্যাংক

ILO আনুমানিক

১৫.৭৯% (যুব, ২০২৩)

১৫-২৪ বছর বয়সী কর্মশক্তি

Economic Survey

যোগ্যতা-ভিত্তিক

৪৪.৫% (স্নাতক, ২০-২৪ বছর)

ডিগ্রিধারীদের প্রকৃত সংকট

 

PLFS-এর ৩.২% এবং CMIE-র ৯.২% — এই পার্থক্য কোনো পরিসংখ্যানগত ত্রুটি নয়। এটি পদ্ধতির পার্থক্য। PLFS-এর হিসাবে একজন ব্যক্তি যিনি সারা বছরে মাত্র দুই মাস ডেটা এন্ট্রির কাজ করেছেন, তিনি 'নিযুক্ত'। কিন্তু বাস্তবে তিনি দশ মাস বেকার। CMIE কেবল তাদেরই নিযুক্ত গণনা করে যারা সেই মুহূর্তে কাজে আছেন।

 

২. শিক্ষিত বেকারত্বের বিপরীত বাস্তবতা

ভারতের শ্রমবাজারে এক অদ্ভুত বৈপরীত্য লক্ষ্য করা যায়: যত বেশি শিক্ষিত, তত বেশি বেকারত্বের সম্ভাবনা। World Bank-এর তথ্য বলছে উচ্চশিক্ষিতদের মধ্যে বেকারত্বের হার ১৩.৪৭%, কিন্তু নিরক্ষরদের মধ্যে তা প্রায় শূন্য।

 

শিক্ষাগত যোগ্যতা

বেকারত্বের হার (আনুমানিক)

মন্তব্য

নিরক্ষর / প্রাথমিক শিক্ষা

প্রায় ০%

কায়িক শ্রমে সরাসরি প্রবেশ

মাধ্যমিক শিক্ষা

৮–১০%

দক্ষতার অভাব, শিল্পের সাথে মিলমিলাল নেই

স্নাতক (সাধারণ)

১৩%

চাকরির বাজারের সাথে মেলে না

স্নাতক (২০-২৪ বছর)

৪৪.৫%

সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত গোষ্ঠী

IT/Engineering স্নাতক

উচ্চ (সেক্টর-নির্ভর)

AI-র কারণে প্রচলিত ভূমিকা সংকুচিত

 

ILO ও IHD-র 'India Employment Report 2024' এই চিত্রটি আরও স্পষ্ট করেছে। ২০০০ সালে মোট বেকারদের মধ্যে মাধ্যমিক বা উচ্চশিক্ষিতদের অনুপাত ছিল ৩৫.২%। ২০২২ সালে সেই সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়ে ৬৫.৭%-এ পৌঁছেছে। এটি অর্থনীতিবিদদের কাছে 'কোয়েউং' বা সারিবদ্ধ অপেক্ষার ঘটনা হিসেবে পরিচিত — শিক্ষিত প্রার্থীরা যোগ্য কাজের জন্য অপেক্ষা করেন, অনানুষ্ঠানিক কাজ প্রত্যাখ্যান করেন, কিন্তু আনুষ্ঠানিক খাত পর্যাপ্ত পদ তৈরি করে না।

 

৩. 'জবলেস গ্রোথ': অর্থনীতির সবচেয়ে বড় প্যারাডক্স

ভারত বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল বড় অর্থনীতি। ২০২৭ সালের মধ্যে এটি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হওয়ার পথে। তবু কর্মসংস্থান বৃদ্ধি কার্যত থেমে আছে। অর্থনীতিবিদরা এই বিপজ্জনক পরিস্থিতিকে বলছেন 'জবলেস গ্রোথ' বা কর্মহীন প্রবৃদ্ধি।

জিডিপি বৃদ্ধির চালিকাশক্তি হলো অর্থ, প্রযুক্তি ও পরিষেবা খাত — যেগুলো অত্যন্ত কম শ্রম-নিবিড়। অন্যদিকে, যে খাতগুলো বেশি মানুষের কাজের সুযোগ দিতে পারত — বস্ত্র, চামড়া, পোশাক — সেগুলোতে ভারত বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের কাছে বাজার হারাচ্ছে।

 

খাত

জিডিপিতে অবদান

কর্মসংস্থান সৃষ্টি

অবস্থা

তথ্যপ্রযুক্তি / পরিষেবা

উচ্চ (৫০%+)

কম

AI-র কারণে হ্রাসমান

কৃষি

মাঝারি (১৫%)

অতিরিক্ত নির্ভরতা

সংকুচিত কিন্তু কর্মী সংখ্যা বেশি

উৎপাদন / শিল্প

কম (১৫–১৭%)

সম্ভাবনাময়

কিন্তু প্রবৃদ্ধি ধীর

বস্ত্র / চামড়া

হ্রাস পাচ্ছে

বড় সম্ভাবনা ছিল

বাজার হারাচ্ছে

 

IT খাতে ২০২২ থেকে ২০২৩ সালে অনলাইন নিয়োগ ১৮% হ্রাস পেয়েছে। AI ও অটোমেশন এমন ভূমিকাগুলো গ্রাস করছে যেগুলোর জন্য গত দশকে হাজার হাজার তরুণ প্রশিক্ষণ নিয়েছিল। CNBC-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগে যেসব মৌলিক দক্ষতার জন্য স্নাতকদের নিয়োগ দেওয়া হত, সেগুলো এখন প্রযুক্তি দিয়েই সম্পন্ন হচ্ছে।

 

৪. রাজ্যভিত্তিক বৈষম্য: একটি দেশ, বহু বাস্তবতা

বেকারত্বের সমস্যাটি সমানভাবে বিতরিত নয়। ধনী এবং সাক্ষর রাজ্যগুলোতেই প্রায়শই বেকারত্বের হার বেশি — কারণ সেখানকার মানুষ শিক্ষিত এবং সাদা-কলারের চাকরি খোঁজেন।

 

রাজ্য / অঞ্চল

বেকারত্বের হার

বিশেষ তথ্য

হরিয়ানা

৩৭.৪%

সর্বোচ্চ বেকারত্বের রাজ্য

কেরালা (যুব)

২৯.৯%

মহিলাদের মধ্যে ৪৭.১%

লক্ষদ্বীপ (যুব)

৩৬.২%

মহিলাদের মধ্যে ৭৯.৭%

গোয়া

প্রায় ১০%

জাতীয় গড়ের তিনগুণ

মধ্যপ্রদেশ (যুব)

৩.২%

সর্বনিম্ন যুব বেকারত্ব

শহরাঞ্চল (সাধারণ)

৬.৬% (ফেব্রুয়ারি ২০২৬)

গ্রামাঞ্চলের চেয়ে বেশি

গ্রামাঞ্চল (সাধারণ)

৪.২% (ফেব্রুয়ারি ২০২৬)

কিন্তু লুকায়িত বেকারত্ব বেশি

 

গ্রামাঞ্চলে বেকারত্বের সংখ্যা কম দেখালেও বাস্তবতা আলাদা। কৃষিতে লুকায়িত বেকারত্ব (disguised unemployment) বিপুল। অনেকে অপর্যাপ্ত আয়ের কাজ করছেন কারণ বিকল্প নেই। Economic Survey 2024-25 জানাচ্ছে মাত্র ৮.২৫% স্নাতক তাদের যোগ্যতা-সম্পর্কিত কাজ করছেন। প্রায় ৫০% স্নাতক 'প্রাথমিক' বা 'অর্ধ-দক্ষ' কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন।

 

৫. নারীর কর্মসংস্থান: সংখ্যার আড়ালে অস্বস্তিকর সত্য

সরকারি তথ্য দেখাচ্ছে মহিলাদের শ্রমশক্তি অংশগ্রহণ হার (FLFPR) ২০১৭-১৮-তে ২৩.৩% থেকে বেড়ে ২০২৩-২৪-এ ৪১.৭%-এ পৌঁছেছে। এই বৃদ্ধিকে সরকার অগ্রগতির প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করছে। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা এই সংখ্যার পেছনের অস্বস্তিকর সত্যটি তুলে ধরছেন।

গ্রামীণ মহিলাদের কৃষিতে অংশগ্রহণ ২০১৮-১৯-তে ৭১.১% থেকে বেড়ে ২০২৩-২৪-এ ৭৬.৯%-এ পৌঁছেছে। এই বৃদ্ধি কোনো সুযোগের প্রতিফলন নয় — এটি অর্থনৈতিক চাপের ফলে পরিবারের টিকে থাকার সংগ্রাম। অনেক মহিলার 'স্বকর্মসংস্থান' প্রকৃতপক্ষে অপ্রদেয় পারিবারিক শ্রম।

অধিকন্তু, ৯০%-এর বেশি মহিলা অনানুষ্ঠানিক খাতে কাজ করেন — সামাজিক নিরাপত্তাহীন, ন্যূনতম মজুরিহীন। কেরালায় ১৫-২৯ বছর বয়সী মহিলাদের মধ্যে বেকারত্বের হার ৪৭.১%, লক্ষদ্বীপে তা ৭৯.৭%। এই পরিসংখ্যান লিঙ্গ বৈষম্যের গভীরতা প্রকাশ করে।

 

৬. কারণ বিশ্লেষণ: সমস্যার শিকড় কোথায়?

ক) দক্ষতা-কর্ম অসামঞ্জস্য

India Skills Report 2025 অনুযায়ী নিয়োগযোগ্যতা MBA স্নাতকদের মধ্যে ৭১%, B.Tech-এ ৬০%, BA-তে মাত্র ৪৫%। একজন তৃতীয় শ্রেণির কলেজের যান্ত্রিক প্রকৌশল স্নাতক তাত্ত্বিক জ্ঞান রাখেন কিন্তু কখনো CNC মেশিন চালাননি। কম্পিউটার বিজ্ঞানের স্নাতক তত্ত্ব জানেন কিন্তু উৎপাদন-মানের কোড লিখতে পারেন না।

খ) কাঠামোগত রূপান্তরের ব্যর্থতা

কৃষি থেকে শিল্পে স্বাভাবিক রূপান্তর ভারতে সম্পন্ন হয়নি। দেশটি কৃষি থেকে সরাসরি পরিষেবা খাতে ঝাঁপ দিয়েছে, মাঝখানের উৎপাদন ধাপ এড়িয়ে। এই 'অকাল শিল্পায়ন বিমুখতা' (premature deindustrialization) কোটি কোটি স্বল্পশিক্ষিত মানুষের জন্য কর্মসংস্থানের পথ বন্ধ করে দিয়েছে।

গ) AI ও অটোমেশনের প্রভাব

এটি শুধু ভারতের সমস্যা নয়, তবে ভারতে এর প্রভাব বিশেষভাবে তীব্র। IT খাতে যেখানে ৫৪ লক্ষ মানুষ কর্মরত (২০২২-২৩), সেখানে AI মৌলিক কাজগুলো স্বয়ংক্রিয় করছে। উৎপাদন খাতে AI দক্ষতার চাহিদা ২০২২ থেকে ২০২৩ সালে ৮% থেকে বেড়ে ২১%-এ পৌঁছেছে, কিন্তু বেশিরভাগ স্নাতক এই দক্ষতা ছাড়াই বের হচ্ছেন।

ঘ) নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি ও বৈষম্য

Al Jazeera-র অনুসন্ধানী প্রতিবেদন জানাচ্ছে মহারাষ্ট্রের গ্রামীণ এলাকায় বেসরকারি বিদ্যালয়গুলো শিক্ষক নিয়োগে 'ডোনেশন' দাবি করছে। সরকারি চাকরির বিজ্ঞপ্তির পরও নিয়োগ বছরের পর বছর ঝুলে থাকে। Regional Transport Office-সহ অনেক সরকারি দপ্তরে আবেদনের কোনো সাড়া মেলে না।

 

৭. রাজ্য সরকারের বেকার ভাতা: তাৎক্ষণিক সমাধান নাকি রাজনীতি?

বেকারত্ব সংকটের জবাবে একাধিক রাজ্য সরকার নগদ হস্তান্তর কর্মসূচি চালু করেছে। কর্ণাটকের 'যুব নিধি' প্রকল্প স্নাতকদের মাসে ৩,০০০ টাকা এবং ডিপ্লোমাধারীদের ১,৫০০ টাকা ভাতা দেয়। হরিয়ানার 'সক্ষম যুবা' প্রকল্পে স্নাতকরা পান ২,০০০ টাকা।

২০২২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে এ ধরনের ১১টি কর্মসূচির মধ্যে ছয়টি চালু হয়েছে। Observer Research Foundation-এর বিশ্লেষণ বলছে এই নগদ হস্তান্তর স্বল্পমেয়াদী স্বস্তি দিলেও দীর্ঘমেয়াদে রাজ্যের আর্থিক স্বাস্থ্য এবং উৎপাদনশীল বিনিয়োগকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। Economic Survey 2024-25 সতর্ক করেছে এই কর্মসূচিগুলো কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিকল্প নয়।

 

৮. NEET: শিক্ষায় নেই, কাজেও নেই

ভারতে NEET (Not in Education, Employment or Training) হারও উদ্বেগজনক। ২০২৪ সালে এই হার প্রায় ২৫%, যেখানে বৈশ্বিক গড় ২০%। ব্রাজিলে এই হার ২০%, দক্ষিণ আফ্রিকায় ৩৪%। অর্থাৎ ভারতে প্রতি চারজন যুবকের একজন শিক্ষা বা কর্মের বাইরে — এই বিশাল গোষ্ঠীটি জনতাত্ত্বিক লভ্যাংশের পরিবর্তে একটি বোঝা হয়ে উঠছে।

 

মূল পরিসংখ্যানের সারণী

সূচক

তথ্য

উৎস

CMIE বেকারত্ব (জুন ২০২৪)

৯.২%

CMIE Consumer Pyramids

PLFS বেকারত্ব (২০২৩-২৪)

৩.২%

MoSPI

যুব বেকারত্ব (১৫-২৪, ২০২৩)

১৫.৭৯%

বিশ্বব্যাংক

স্নাতক বেকারত্ব (২০-২৪)

৪৪.৫%

PLFS / CMIE

মোট বেকারদের মধ্যে যুবক

৮২.৯%

ILO-IHD (২০২৪)

শিক্ষিত বেকার (মাধ্যমিক+, ২০২২)

৬৫.৭%

ILO India Employment Report

যোগ্যতা-অনুযায়ী কর্মরত স্নাতক

মাত্র ৮.২৫%

Economic Survey 2024-25

NEET যুব হার (২০২৪)

প্রায় ২৫%

ILO / ORF

মহিলা অনানুষ্ঠানিক কর্মসংস্থান

৯০%+

PLFS / ILO

IT নিয়োগ হ্রাস (২০২২-২৩)

১৮%

Foundit / CNBC

 

 

৯. উপসংহার: গণতন্ত্রের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ

ভারত আজ এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। ২০৩৬ সাল নাগাদ দেশের যুব জনগোষ্ঠী হ্রাস পেতে শুরু করবে। এই দশকটি তাই জনতাত্ত্বিক লভ্যাংশকে বাস্তব কর্মসংস্থানে রূপান্তরের শেষ সুযোগ। কিন্তু পরিসংখ্যান বলছে এই সুযোগ দ্রুত হাতছাড়া হচ্ছে।

শুধু নগদ ভাতা বা সংখ্যার কারচুপিতে সংকট মিটবে না। প্রয়োজন শিক্ষাব্যবস্থার আমূল সংস্কার, শ্রম-নিবিড় উৎপাদন খাতে বিনিয়োগ, AI দক্ষতার প্রসার, এবং মহিলাদের জন্য মানসম্পন্ন আনুষ্ঠানিক কর্মসংস্থান।

চাকরি না পেয়ে মাঠে ফসল কাটছেন মাস্টার্সধারী শিবানন্দ। ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি নিয়ে নির্মাণ পর্যবেক্ষণ করছেন সিদ্ধান্ত। কেরালার যুবতীরা বলছেন 'আমাদের বান্ধবীরা হয় আরেকটা ডিগ্রি নিচ্ছেন নয়তো বিয়ে করে ঘরে বসে যাচ্ছেন।' — এই মানবিক সংকটগুলোই বলে দেয়, পরিসংখ্যানের আড়ালে ঠিক কতটা গভীর ক্ষত।


তথ্যসূত্র

CMIE Consumer Pyramids Household Survey (2024) | ILO–IHD India Employment Report 2024 | MoSPI Periodic Labour Force Survey 2023-24 | Economic Survey 2024-25 | World Bank Labour Statistics | Observer Research Foundation | CNBC International | Al Jazeera Investigative Unit | Foundit Hiring Insights 2023 | India Skills Report 2025

 


 

Post a Comment

Previous Post Next Post